Homeinternational newsতুরস্কের বৃহত্তম সামরিক প্রশিক্ষণ স্থাপনা কাতারে
70 Views No Comment
সকল আপডেট ফেসবুকে পেতে আমাদের অফিশিয়াল ফ্যান পেজে লাইক দিন

তুরস্কের বৃহত্তম সামরিক প্রশিক্ষণ স্থাপনা কাতারে

দেশের বাইরে কাতারে সবচেয়ে বড়
সামরিক প্রশিক্ষণ স্থাপনা তৈরি করেছে
তুরস্ক। রবিবার কাতারে এই প্রশিক্ষণ
কেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়েছে। এর
মাধ্যমে মূলত নিজেদের আরো বেশি শক্তি
বৃদ্ধি করল তুরস্ক।দেশ দু’টির কৌশলগত
দৃষ্টিভঙ্গির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান
হচ্ছে এই অঞ্চলের দেশগুলোর নিরাপত্তা ও
স্থিতিশীলতার বিষয়টি।
কাতারের প্রতিরক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
খালিদ বিন মোহাম্মদ আল আতিয়াহ এবং
তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
নুরেত্তিন কানিক্লি প্রশিক্ষণ স্থাপনাটির
উদ্বোধন করেন। এতে কাতারের উর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, তুরস্ক ও অন্যান্য দেশের
কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ
কেন্দ্রটিতে হেলিকপ্টার ফ্লাইট
সিমুলেশনের সুবিধাও থাকবে। কাতারের সরকার ও জনগণ তুরস্কের এই
সহযোগিতার প্রশংসা করছে এবং এটি
ভবিষ্যতে দেশটির সামরিক বাহিনীর
সদস্যদের প্রশিক্ষণে অনেক ভূমিকা
রাখবে। অনুষ্ঠানে সামরিকভাবে
শক্তিশালী করতে কাতারের প্রতি তুরস্কের
এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে
জানানো হয়।
এ সামরিক প্রশিক্ষণ স্থাপনাটি নির্মিত
হবে তুরস্ক সরকার, বিমান প্রতিরক্ষা এবং
সেনা সফটওয়্যার কোম্পানি হ্যাভেলসান
এর যৌথ উদ্যোগে। অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ
সরঞ্জামের পাশাপাশি উৎকর্ষ প্রযুক্তির
সমন্বয় ঘটানো হবে। সময়োপযুগী ও মানসম্মত
প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-
সুবিধা থাকবে।
তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
নুরেত্তিন কানিক্লি বলেন, তুরস্ক-
কাতারের মধ্যে রয়েছে ভ্রাতৃপ্রতিম
সম্পর্ক, কৌশগত ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বেশ
জোরদার। আমরা দিন দিন প্রতিরক্ষা
ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছি।
সামরিক শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই নতুন
প্রশিক্ষণের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের
উদ্যোগ নিয়েছি।
যেসব দেশ তাদের প্রতিরক্ষা সেক্টরকে
অবহেলা করছে, দীর্ঘমেয়াদে তাদের
অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ছে। তুরস্ক
প্রতিরক্ষা সামর্থ্যে যথেষ্ট অগ্রসর।
বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তিতে তুরস্ক বেশ
এগিয়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে ড্রোনের
মাধ্যমেই সামরিক বিমান-হেলিকপ্টার
পরিচালিত হবে।
ইতোমধ্যেই কাতার বিমান বাহিনীর ৫৫ জন
পাইলট এবং ৪০ জন ইঞ্জিনিয়ার গুরুত্বপূর্ণ
প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে। তুরস্কই কাতারের
সেনা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখে
চলেছে। কাতার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে
সামরিক শক্তি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করতে
সক্ষম হয়েছে।
২০১৫ সালে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে
দুই দেশ। সম্পাদিত সামরিক সহযোগিতা
চুক্তির মধ্যে ছিল অপারেশনের অভিজ্ঞতা
ও প্রশিক্ষণ বিনিময়, সামরিক শিল্পের
উন্নয়ন, প্রয়োজনের সময়ে উভয় দেশে যৌথ
সেনাবাহিনী ফের মোতায়েন ও যৌথ
সামরিক মহড়া। এই চুক্তি এই অঞ্চলে
তুরস্কের জন্য কৌশলগত ক্ষেত্র প্রদান
করেছিল। এই চুক্তি কাতারে তুরস্কের
সশস্ত্রবাহিনী মেতায়েনকে অনুমোদন
করেছিল একইভাবে কাতার ও তুরস্কের
ভূমিতে তার সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েন
করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
২০১৪ সালে চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে
তুরস্ক কাতারে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
সেখানে বর্তমানে তুর্কি সেনা মোতায়েন
রয়েছে। কাতার শুরুতে পদাতিক সেনা, পরে
নৌবাহিনীর সদস্য এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমান
মোতায়েন করে। এই সামরিক ঘাঁটি
উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা
প্রদানকারী।
উল্লেখ্য সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে
বিশ্বে অন্যতম শক্তিধর দেশ তুরস্ক।
জনশক্তি, যুদ্ধাস্ত্র, প্রযুক্তি-প্রশিক্ষণ ও
সামরিক ব্যয়সহ বিভিন্ন দিক থেকে তুর্কি
সামরিক বাহিনী বিশ্বের সেরা
বাহিনীগুলোর একটি। ১৯৫২ সাল থেকেই
দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী
সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য।

2 months ago (November 6, 2017) FavoriteLoadingAdd to favorites

About Author (45) 71 Views

author

This user may not interusted to share anything with others

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

All Rights Reserved
© 2010 - 2018 Trick-Bd.CoM